CMTC – Info

CMTC 2022

কমিটি মেম্বারস্ ট্রেনিং ক্যাম্প ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ

তারিখ: ৮ - ১৯ জুলাই ২০২২
স্থান: লিভিং ওয়াটার সেন্টার, কুমকুমারী বাজার, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা

নিবন্ধন ফি: ১,০০০ টাকা মাত্র

(২য় বা ৩য় শ্রেণীর বাস বা ট্রেন ভাড়ার ৬০% দেয়া হবে এবং অবশ্যই টিকিট জমা দিতে হবে)

সুপ্রিয় বন্ধু,

রাজধানী শহর ঢাকার অদূরে সাভার আশুলিয়া বৃক্ষরাজি ঘেরা মনোরম স্থানে প্রশিক্ষণ গ্রহণের এক যথার্থ ও অপূর্ব পরিবেশে বিএসএফবি আপনাকের স্বাগত জানাচ্ছে আপনার আত্মিক বিকাশ ও নেতৃত্ব গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নিয়ে। বর্তমান খ্রীষ্টীয় নেতৃত্বের বৈপরীত্যে নয় কিন্তু নূতন কিছু সৃষ্টির প্রত্যাশায় আপনাকে এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।

আমাদের উদ্দেশ্য:

  • খ্রীষ্টের সুসমাচার প্রচারের লক্ষ্যে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আত্মিকভাবে বৃদ্ধিদান করা।
  • নৈতিক সততা ও সর্বোচ্চ আত্মিকতায় জীবন-যাপন করার জন্য প্রস্তুত করা।
  • ছাত্র কার্যক্রম সম্বন্ধে সুস্পষ্ট দর্শন প্রদান।
  • স্থানীয়, আঞ্চলিক, মণ্ডলী এবং জাতীয় পর্যায়ে ছাত্র কার্যক্রমে আত্মিক নেতৃত্ব দানের জন্য প্রস্তুত করা।

যারা আসতে পারবেন:

  • যারা কমিটিতে বিভিন্ন পদে রয়েছেন বা যাদের আগামীতে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • প্রার্থীকে কমপক্ষে এইচ.এস.সি পাশ হতে হবে।
  • অবশ্যই অধূমপায়ী হতে হবে।
  • পরিত্রাণের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  • নূতন সদস্য বা যারা ইতিপূর্বে বিএসএফবি-র কোন ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেনি এমন সদস্য (কমিটি মেম্বার ব্যতিত) এ সম্মেলনে আসতে পারবে না।

 

প্রশিক্ষণের আলোচ্য বিষয়সমূহ:

  • বিএসএফবি-র (খ্রীষ্টীয়) মতবাদসমূহ
  • ব্যক্তিগত ও দলীয় বাইবেল আলোচনা পদ্ধতিসমূহ
  • বিএস্এফবি-র ইতিহাস ও দায়িত্ব-কর্তব্য
  • আত্মিক নেতৃত্বদান
  • লক্ষ্য নির্ধারণ
  • ধনাধক্ষ্যতা
  • এছাড়া খেলাধুলা ও ভ্রমণ (বিবেচনা সাপেক্ষে)

জ্ঞাতব্য বিষয়:

  • অবশ্যই সকলকে সঙ্গে করে বাইবেল (পুরাতন ও নূতন নিয়ম) এবং নোটবুক আনতে হবে।
  • বাইবেল ছাড়া সিএমটিসি-তে অংশগ্রহণ করা যাবে না।
  • হালকা চাদর ও নিজের ব্যবহার্য জিনিসপত্রও সঙ্গে আনতে হবে।
  • আগামী ২০ জুন ২০২২ এর মধ্যে আপনার আত্মসাক্ষ্য সহ RNA এর অংশ https://forms.gle/kKRbg6jr33GPDrG39 লিঙ্কের নির্দেশিত অংশ লিখে এবং যথাযথভাবে পূরণ করে Submit  বাটনে ক্লিক করে আমাদের কাছে পাঠাতে হবে। লক্ষ্যণীয় যে, আত্মসাক্ষ্য সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যাবলী ও নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং গুরুত্ব দিয়ে এই বিবরণী ২ পৃষ্ঠায় লিখতে হবে।
  • প্রশিক্ষণ শুরুর দ্বিতীয় দিন এবং প্রথম সকালে অবশ্যই আপনাকে আত্মসাক্ষ্য (কিভাবে আপনি যীশুকে জেনেছেন ও তাঁকে ব্যক্তিগত ত্রাণকর্তা হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং তাঁকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর সাথে চলছেন) দিতে হবে। প্রয়োজনে RNA ফরম্ পূরণ করতে স্টাফদের পরামর্শ নিন এবং অনলাইনে পাঠানোর সুযোগ না থাকলে নির্ধারতি ফরম্ পূরণ করে স্টাফদের কাছে পাঠান।
  • আপনাকে অবশ্যই ৮ জুলাই ২০২২ বিকালের মধ্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে (রাতের খাবার প্রস্তুত থাকবে) এবং ১৯ জুলাই ২০২২ সকালের নাস্তার পর সম্মেলন স্থল ত্যাগ করতে হবে।
  • প্রশিক্ষণের শেষে আপনাকে পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং বিশেষ সনদপত্র প্রদান করা হবে।
  • আত্মসাক্ষ্য লেখার নিম্নে সহায়িকা এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পথ নির্দেশিকা:

  • বাংলাদেশের যে কোন স্থান থেকে বাস যোগে নবীনগর পার হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে সিএন্ডবি স্টেশনে নেমে লেগুনা (ছোট গাড়ি), ইজি বাইকে কুমকুমারী বাজার নামতে হবে। বিরেণ মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিপরীতে ছোট এক কাঁচা বাজারের পাশের রাস্তায় সম্মেলনের স্থান (কুমকুমারী এসে লোকমুখে খ্রীষ্টীয়ান প্রজেক্ট/আইডিয়াল স্কুলের পাশে)।
  • বাংলাদেশের যে কোন স্থান থেকে বাস যোগে নবীনগর পার হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে সিএন্ডবি স্টেশনে নেমে লেগুনা (ছোট গাড়ি), ইজি বাইকে কুমকুমারী বাজার নামতে হবে। বিরেণ মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিপরীতে ছোট এক কাঁচা বাজারের পাশের রাস্তায় সম্মেলনের স্থান (কুমকুমারী এসে লোকমুখে খ্রীষ্টীয়ান প্রজেক্ট/আইডিয়াল স্কুলের পাশে লিভিং ওয়াটার সেন্টার, LWC)
  • যারা আশুলিয়া বাজারে নামবে তারা ইজি বাইক দিয়ে চারাবাগ নেমে রিক্সা যোগে (ভাড়া ১০ টাকা) কুমকুমারী বাজারে এসে পূর্বের নির্দেশ মত আসতে হবে।
  • যারা আব্দুল্লাহ্পুর এসে নামবে তারা বাস যোগে আশুলিয়া বাজার হয়ে পূর্বের নিদের্শানুযায়ী সম্মেলন কেন্দ্রে চলে আসবে।

আত্মসাক্ষ্য সম্পর্কে নির্দেশনা:

আত্মসাক্ষ্য লিখতে এবং কিভাবে আত্মসাক্ষ্য দিতে হবে সেই নির্দেশনা গুরুত্ব সহকারে পড়তে হবে এবং আত্মসাক্ষ্য বলার সময় এই নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে হবে।

নিন্মের নির্দেশনা অনুসারে আত্মসাক্ষ্য লিখতে হবে এবং  সিএমটিসি-র ২য় দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সবার সামনে লিখিত সাক্ষ্য পড়ে শোনাতে হবে। কোন সুস্থ্যতা, বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া বা আশীর্বাদলাভের বিষয় তুলে ধরা হল সাক্ষ্য আর প্রভু যীশুকে কিভাবে ত্রাণকর্তা বা মুক্তিদাতা হিসেবে জীবনে গ্রহণ করেছি তা বলাই হল আত্মসাক্ষ্য। মনে রাখতে হবে সাক্ষ্য ও আত্মসাক্ষ্য এক বিষয় নয়। তাই এই ৪.৫ মিনিট সময়ে কোন সাক্ষ্যের বিষয় না বললেই ভাল হবে।

ক্রমিক বিষয়বস্তু সময় (বরাদ্দকৃত)
১)
পরিচয়: নিজের, পরিবারের ও ভাই-বোন সম্পর্কে এবং বাড়ী কোথায় সবার সামনে বলতে হবে।
১৫ সেকেন্ড
২)
প্রভু যীশুকে মুক্তিদাতা কিভাবে জেনেছি (অতীত জীবন): প্রভু যীশুকে গ্রহণের আগের বা অতীত জীবন সম্পর্কে কিছু বল। কেন তোমার জীবনে প্রভু যীশুকে প্রয়োজন হল, প্রভু যীশু যে মুক্তিদাতা ও পরিত্রাতা সে সম্পর্কে তুমি কি জেনেছো? প্রভু যীশু সম্পর্কে তুমি হৃদয়ে কি উপলদ্ধি করেছো?
১ মিনিট
৩)
প্রভু যীশুকে গ্রহণ: প্রভু যীশুকে মুক্তিদাতা হিসেবে কখন ও কিভাবে গ্রহণ করেছো এমনকি কোন ঘটনা বা পরিস্থিতিতে ঘটেছে তা বর্ণনা কর।
২.১৫ মিনিট
৪)
খ্রীষ্টের সাথে সম্পর্ক রক্ষা (বর্তমান জীবন): কিভাবে তুমি প্রভু যীশু খ্রষ্টের সাথে সময় কাটাও? তোমার জীবনে প্রতিদিন বাইবেল পাঠ, প্রার্থনা ও সহভাগিতা এবং মণ্ডলীতে অংগ্রহণ করছো কিভাবে?
৪৫ সেকেন্ড
৫)
প্রার্থনার বিষয়: তোমার আত্মিক জীবন, জীবনের কোন বিষয় বা ভবিষ্যতের কোন বিষয় সম্পর্কে প্রার্থনার বিষয় থাকলে তা উল্লেখ কর।
১৫ সেকেন্ড

নিয়মাবলী:

  • সবার সামনে গিয়ে আত্মসাক্ষ্য দেবার জন্য প্রত্যেকে ৪ মিনিটি ৩০ সেকেন্ড সময় পাবে।
  • প্রত্যেককে লিখিত আত্মসাক্ষ্য পাঠ করতে হবে।
  • সম্পূর্ণ আলাদা একটি কাগজে আত্মসাক্ষ্য ২ কপি লিখতে হবে।
  • প্রত্যেককে লিখিত আত্মসাক্ষ্য ১ কপি স্টাফদের কাছে জমা দিতে হবে এবং আরেক কপি নিজের কাছে রাখতে হবে যেন সে তা উপস্থাপন করতে পারে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে প্রস্তুতি নিতে পারে।
  • প্রত্যেককে সিএমটিসি-র তথ্যাবলী সম্পর্কে জানতে হবে এবং তথ্যাবলী ও নিয়মকানুন ফর্ম অবশ্যই পড়তে এবং মানতে হবে।
  • সম্মেলনের নির্দেশিকা জানতে https://bsfb.org/cmtc-rna-form/ লিঙ্কে গিয়ে Programs এ যেতে হবে।
  • আগামী ১৫ জুন ২০২২ এর মধ্যে আপনার আত্মসাক্ষ্য সহ RNA এর অংশ https://forms.gle/kKRbg6jr33GPDrG39 লিঙ্কে লিখে এবং যথাযথভাবে পূরণ করে পাঠাতে হবে।

সহায়ক নির্দেশিকা - যা আত্মসাক্ষ্য লিখতে সাহায্য হবে

খ্রীষ্টকে জানার মধ্য দিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে কিভাবে তাঁকে ত্রাণকর্তা বা মুক্তিদাতা হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং খ্রীষ্টকে জীবনে রেখে জীবন যাপন করা হয় তা যখন অন্যের কাছে তুলে ধরা হয় তা হল আত্মসাক্ষ্য। প্রত্যেক খ্রীষ্টিয়ানের উচিত ব্যক্তিগত জীবনে যীশু খ্রীষ্টকে কিভাবে মুক্তিদাতা হিসেবে গ্রহণ করেছে তার আত্মসাক্ষ্য প্রদান করা। আত্মসাক্ষ্য তুলে ধরার সময় কিছু বিষয় আমাদের মনে রাখা দরকার যেমন-

এজন্য সব সময়ে প্রস্তুত থাকতে হয়। ১ পিতর ৩:১৫-১৬ পদে উল্লেখ করা হয়েছে “যে কেহ তোমাদের অন্তরস্থ প্রত্যাশার হেতু জিজ্ঞাসা করে তাহাকে উত্তর দিতে সর্বদা প্রস্তুত থাক। কিন্তু মৃদুতা ও ভয় সহকারে উত্তর দিও, সৎসংবেদ রক্ষা কর, যেন যাহারা তোমাদের খ্রীষ্টগত সদাচরণের দুর্নাম করে তাহারা তোমাদের পরীবাদ করণ বিষয়ে লজ্জা পায়।

আত্মসাক্ষ্য কি?

  • আত্মসাক্ষ্যের লক্ষ্য হবে নিজেকে খ্রীষ্টের হাতে সমর্পিত ও খ্রীষ্টকে উচ্চীকৃত করা কিন্তু নিজেকে উচ্চীকৃত বা গৌরবান্বিত করার জন্য নয়।
  • যখন কেউ আত্মসাক্ষ্য দেন তখন উচিত নিজের জীবনের উপর বা জীবন সম্পর্কে পটভূমিকা তুলে ধরা।
  • আত্মসাক্ষ্য মানে এই নয় যে খুব সুন্দর সুন্দর এবং আর্শ্চয্যজনক বক্তৃতা উপস্থাপন করা। মূলত: আত্মসাক্ষ্য হলো আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার জীবনে খ্রীষ্টকে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কিভাবে মুক্তিদাতা হিসেবে গ্রহণ করেছি।
  • আত্মসাক্ষ্য হলো সত্যিকারভাবে আমি কিভাবে খ্রীষ্টের মধ্য দিয়ে বা খ্রীষ্টের সাথে থেকে জীবন যাপন করছি। আত্মসাক্ষ্যের জন্য প্রার্থনা করতে হয় এবং ঈশ্বর তখন আশীর্ব্বাদ করেন ও উত্তর দেন। যদি কোন সময় ভুল কাজ করা হয় বা বিপথে চলে গেলে তা বুঝতে পেরে ঈশ্বরের নিকট ফিরে আসলে ঈশ্বর ক্ষমা করেন।
  • সাধারণত যারা অন্য ধর্মের লোক তাদেরকে অনেক সময় বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। যেমন, অন্য কোন ভাবে পরিত্রাণ না পেয়ে, কেন আমি খ্রীষ্টকে বিশ্বাস করে পরিত্রাণ পেয়েছি বা খ্রীষ্টের মধ্য দিয়েই পরিত্রাণ, এটা আমি কেন বিশ্বাস করি?
  • অবিশ্বাসীদের জন্য বা অবিশ্বাসীদের নিকট আত্মসাক্ষ্য তুলে ধরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- আমি কিভাবে খ্রীষ্টের কাছে আসলাম, কেন অনুতপ্ত হলাম, কেন বিশ্বাস করলাম এবং কেন।
  • যীশুকে একমাত্র মুক্তিদাতা ও প্রভু হিসেবে গ্রহণ করলাম।
  • আমি যে যীশু খ্রীষ্টকে গ্রহণ করে নতুন জীবন পেয়েছি এবং পবিত্র আত্মাই যে আমাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে সেটা আত্মসাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করতে হবে।

কোথায় আমি আত্মসাক্ষ্য দেব?

  • যে কোন ব্যক্তির কাছে এবং যে কোন জায়গায়। যখন ঈশ্বর কোন ব্যক্তিকে পরিচালিত করেন যিনি যীশু খ্রীষ্টের জীবন সম্পর্কে জানতে পছন্দ করেন।
  • কোন সভাস্থলে। যদি কখনও আমাদের কোন সভাস্থলে সাক্ষ্য দিতে বলা হয় তখন স্মরণ রাখা দরকার কতটুকু সময় আপনাকে দেওয়া হয়েছে। সাক্ষ্যের সময় মনে রাখা দরকার যারা শুনেছেন, যীশুতে জীবন যাপনের কোন দিকগুলো তাদের জন্য উপযুক্ত।

কিভাবে আমরা আত্মসাক্ষ্য দেব?

  • আত্মসাক্ষ্য অবশ্যই সত্য হতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে যেন আত্মসাক্ষ্য অন্যের অনুকরণে না হয়। আকর্ষনীয় আত্মসাক্ষ্য দিতে চেষ্টা না করাই শ্রেয়।
  • সাক্ষ্যের সময় যীশু খ্রীষ্টকে উচ্চে স্থান দিতে হবে কিন্তু নিজেকে নয়। সতর্ক থাকতে হবে যে, আত্মসাক্ষ্যে যেন নিজের পাপময় জীবনকে গৌরবান্বিত করে সাক্ষ্যকে আকর্ষনীয় না করা হয়।
  • যার কাছে আত্মসাক্ষ্য দেওয়া হবে প্রথমে তার সমস্যার কথা যত্ম সহকারে শুনতে হবে, তারপর খ্রীষ্টের সঙ্গে চলার কোন দিকটি তার জন্য উপযুক্ত সেই অভিজ্ঞতা বর্নণা করতে হবে।
  • আত্মসাক্ষ্য দেওয়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন বিস্তারিত বা লম্বা জীবনের ঘটনা বলা না হয়, এতে সাক্ষ্যের উদ্দেশ্য বা সময় নষ্ট হবে।
  • সাক্ষ্য অবশ্যই সংক্ষিপ্ত হতে হবে। জীবন বৃত্তান্ত বলার প্রয়োজন নেই। সময়মত আত্মসাক্ষ্য শেষ করতে হবে।

আত্মসাক্ষ্যের জন্য দরকারী বাইবেল অংশ

প্রেরিত ২২:১-২১; ও ২৬:১-২৩ পদ লক্ষ্য করুন পৌল কিভাবে দুই জায়গায় তার আত্মসাক্ষ্য দিয়েছেন এবং এখানে আত্মসাক্ষ্যের পর কি ধরণের প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলেন। এছাড়া এই অংশের সঙ্গে তুলনা করুন গালাতীয় ১:১১ পদ। ভালভাবে লক্ষ্য করুন কেন তিনি আত্মসাক্ষ্য দিয়েছিলেন (গালাতীয় ১:৬-১০ পদ)।

ঈশ্বর আমাদের প্রত্যেককেই কোন না কোন তালন্ত বা যোগ্যতা দিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তাই আমরা সবাই এই যোগ্যতা বা তালন্ত তাঁর রাজ্য ও ধার্মিকতা বিস্তারে ও তাঁর গৌরবার্থে ব্যবহার করতে পারি। এটি আমাদের সকলের জন্য একটি ক্ষেত্র। তাই আমাদের সকলকেই এ ব্যাপারে সচেষ্ট ও উদ্যোগী হতে হবে।